শ্রীরাম কী মাংস খেত - জানুন সত্য

Ramayan History তে শ্রীরাম মাংস কীভাবে খেত?

আজকের সময়ে শ্রীরাম মাংস খেত এই বলে প্রচার করা হচ্ছে আর আমাদের মহাপুরুষ দের উপর অভিযোগ করা হয় এই বলে রামায়ন কালে  'হবন" করার সময় পশু বলি দেওয়া হত। এই টাইপ এর অভিযোগ তারা লাগায় যারা নির্মম, লোভী , ব্যাভিচারি হয় । এই লেখার দ্বারা আমি রামায়ন এর তিনটি ঘটনার মাধ্যমে আপনাদের সবাই কে বোঝানোর চেষ্টা করব।

শ্রীরাম  কী মাংস খেত - জানুন সত্য
শ্রীরাম  কী মাংস খেত - জানুন সত্য


1. যখন মহারাজ দশরথ পুত্র প্রাপ্তির জন্য পুত্রেষ্টি জজ্ঞ এর আয়োজন করছিল,তো এই জজ্ঞ এর আয়োজন চলাকালিন মহারাজ দশরথ তার সমস্ত সেবক দের আজ্ঞা দিয়েছিল " এই জজ্ঞ এর আয়োজন করার জন্য কোন প্রানী তথা কোনরকম কষ্ট কিংবা কোন প্রকার কোন পশু যাতে দুঃখ না পায়" । যখন মহারাজ দশরথ এইরকম আজ্ঞা দেয় তার সেবক দের, তো কে বলতে পারবে যে রামায়ন কালে পশু বলি দেওয়া হত। কিংবা পশু কে জজ্ঞে বলিদান দেওয়া হত।



2. যখন রাম আর লক্ষণ কে বিশ্বমিত্র মহারাজ দশরথ এর কাছ থেকে নিতে এসেছিল তো বলে রাবণ এর প্রেরণায় মারীজ আর সুভাহু আমার জজ্ঞের সময় বাঁধা সৃষ্টি করে। যখন আমি জজ্ঞ করি তখন আমার জজ্ঞের আসে-পাসে মাংস , রক্ত ইত্যাদি ফেলে দেয় , আর জজ্ঞ কে মাঝখানেই বন্ধ করে দেয়। তায় রাম আর লক্ষণ কে আপনি আমাকে দিয়ে দেন। আমি এই দুই ভাই কে এমন শক্তি,বল, অস্র শস্ত্র দিব যার দ্বারা তিনলোক (মাটি,জল,বায়ু) এ কারো মধ্যে এত ক্ষমতা হবে না যে রাম লক্ষণ কে হারাতে পারবে। জজ্ঞ তো অনেক দূর , আসে-পাসেও মাংস খাওয়া কে অপবিত্র মানা যেত। যার জন্য এটা প্রমান হয় পশুবলি র মতো কোন প্রথা সেই সময় মানা হত না। বামমার্গী এর মতো লোকেরা তাদের পরম্পরা কে প্রাচীন দেখানোর জন্য রামায়ন প্রাচীন সত্য সত্য শাত্র তে ভজাল মিশিয়েছে। এই বামমার্গী তারা যারা পাঁচ মকার শুরূ করে - ১।মধ্য ২।মাংস ৩।মীন ৪।মুদ্রা ৫।মৈথুন - এই টাইপ এর নিচ লোকেরা সত্য গ্রন্থ তে তাদের পরম্পরা মিশিয়ে তাদের পরম্পরা কে প্রাচীন প্রমান করার চেষ্টা করেছে। আর আজকের যুগেও যেখানে গরীব , নিম্ন স্তরের মানুষ থাকে সেখানে আজও বামমার্গ প্রথা চলে। এই প্রথার জন্য ব্যাভিচার, দুরাচার এর মতো লোকের জন্ম হয়।

3. যখন শ্রীরাম রাজমহল ছেরে চোদ্দ বছর এর জন্য বনবাস এ যায়, তখন সেই ক্ষেত্রের রাজা নিসাদরাজ এর সাথে দেখা হলে নিসাদরাজ বলেছিলেন তুমি উত্তম আসন গ্রহণ করো আর বল আমি তোমার জন্য কী খাবার নিয়ে আসব। তখন শ্রীরাম একটা কথা বলেছিলেন " আমি কুশ-আদি আজীর্ণ বস্ত্র ধারন করেছি আর ফল আর মুল ই আমার ভোজন। এর থেকে বোঝা যায় শ্রীরাম বনবাস কালে কখন মাছ মাংস গ্রহণ করেন নি।




উপরের রামায়ন এর তিনটি তথ্য থেকে এটা প্রমান হয় শ্রীরাম নাতো মাংস খেত না জজ্ঞে পশু বলি দেওয়া হত। এইসব হারামি বামমার্গী তাদের পরম্পরা কে প্রাচীন প্রমান করার জন্য আমদের সত্য সত্য গ্রন্থ আর শাত্র তে ভেজাল মিশিয়েছে। আশা করি বোঝা গেছে।।




Previous
Next Post »