১০ টি মজার মজার বাংলা জোকস পড়ুন আর মন খুলে হাসুন

বন্ধুরা আমি আপনাদের জন্য ১০টি মজার মজার জোকস নিয়ে আজকের লেখটি লিখেছি । আপনারা পরে দেখুন খুব ভাল লাগবে। bangla funny jokes

১০ টি মজার মজার বাংলা জোকস
১০ টি মজার মজার বাংলা জোকস পড়ুন আর মন খুলে হাসুন 


খদ্দেরঃ  ওই মুরগীড়া কত ?

দোকানীঃ  পাঁচ ট্যাহা দিয়েন হালায়।

খদ্দেরঃ  কও কি হালায় ? গলা কাটবা নাকি? ওই টকন মুরগী হালায় পাঁচ টাকা চাইতে আছ। তাও তাে হালায় ঝিমাইতে আছে অসুখ বিসুখ নাই তাে?

দোকানীঃ  না, কত্তা অসুখ বিসুখ নাই।

খদ্দেরঃ  তা হইলে হালায় ঝিমায় ক্যান ?

দোকানীঃ  অর হালায় কোন দোষ নাই। কাউলকা ওরে লইয়া গান হুনতে গেছিলাম। সারা রাইত জাগছি। অর অ ঘুম নাই, আমার অ ঘুম নাই। আমি তাে হালায় মুরগী বেচতাচ্ছি, ও আর কি করে, একটু ঝিমাইতে আছে। বাংলা জোকস

গ্রামের বাংলার মাষ্টার মশাই ঢাকা শহরে বেড়াতে এসেছেন। ষ্টেশনে নেমে রিক্সাওয়ালাকে বললেন, যাবে ভাই?

রিক্সাওয়ালাঃ যাইবেন কই?

মাষ্টারমশাইঃ বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবাে।

রিক্সাওয়ালাঃ পাঁচ ট্যাহা লাগবে।

মাষ্টারমশাইঃ ঠিক আছে তাই দেবাে, চল মাষ্টারমশাইকে ঘণ্টাখানেক ঘােরাবার পরও রিক্সাওয়ালা
আর বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে পায় না। মাষ্টারমশাইও অধৈর্য হয়ে উঠলেন।

মাষ্টারমশাইঃ তুমি ঢাকার রিক্সাওয়ালা, বিশ্ববিদ্যালয়। চেননা ?

রিক্সাওয়ালাঃ দাঁড়ান হালায়, জিগাইয়া লই ওই দোকানডায়।
দোকানদারকে জিগ্যেস করে এসেই রিক্সাওয়ালা রীতিমত উত্তেজিত তাই কন, আপনি ইউনির্ভাসসিটি যাইবেন। তখন থেইকা হালায় বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয় কইতে আছেন। ইউনির্ভাসিটি কইলে কখন হালায় পৌছাইয়া দিতাম। লেখাপড়া না শিইখ্যা ঢাকা আহেন ক্যান ? হাসির জোকস

এক কুটির ছেলে ক্লাসের পরীক্ষায় দশম স্থান পেয়েছে। স্বাভাবতই তার বাবা দারুন আনন্দিত এবং গর্বিত। বাবা ছেলের সঙ্গে কাউকে কথা বলতেই দিচ্ছেন না। সবাইকে বলছেন, ‘শিবুর হালায় কথা কওনের সময় নাই। শিবু হালায় দশে দশ হইছে।

শিবুর এক সহপাঠী এসে জিগ্যেস করল, ‘মেসােমশাই শিবু আছে ?
বাবার সেই এক কথা, “শিবুর হালায় কথা কওনের সময় নাই শিবু দশে দশ হইছে।

ছেলেটি ব্যাপারটা বুঝতে পেরে মুচকি হেসে বলল, ‘মেসােমশাই আমি শিবুর বন্ধু, শম্ভ। আমি দশে এক হহছি’ (মানে ফাষ্ট হয়েছে)।

‘তুমি হালায় দশে এক হইছ? কও কি হালায়? ব্যস, এই বলে ছেলের উদ্দেশ্যে হাঁক পাড়লেন, শিবু ও শিবু। দেইখ্যা যা হালায়, তর বাপ আইছে। বাংলা কৌতুক

মিষ্টির দোকানে ঢুকে খদ্দের রসগােল্লার দরদাম করছেন—
খদ্দেরঃ রসগােল্লা কত কইরা হালায় ?

দোকানীঃ চাইর আনা কইর্যা কত্তা। কটা কটা দিব কন ?

খদ্দেরঃ চাইর আনা। কও কি হালায় ?

দোকানীঃ দাম কি কত্তা বেশি কইলাম ?

খদ্দেরঃ বেসি ত কইছই। ওই ছাগলের লাদির মত রসগােল্লা চাইর আনা কইর‍্যা ? দুই আনা কইর্যা হইবাে না ?

দোকানীঃ এখন ত হইবাে না কর্তা, বিকাল আইয়েন।

খদ্দেরঃ বিকেল ক্যান?

দোকানীঃ এখন হালায় মুখের মাপ দিয়া যান। বিকালে রসগােল্লা ডেলিভারী লইয়া যাইয়েন। মজার কৌতুক

শীতের দিনে কোট কিনতে গেছেন এক ভদ্রলােক। দোকানদার এগিয়ে এসে জিগ্যেস করলেন, কি কত্তা ?

ভদ্রলােকঃ আমার গায়ের একটা কোট দেখান তাে।

দোকানদারঃ এই ন্যান কত্তা। জব্বর একখান কোট দিলাম।

ভদ্রলােক : কত দাম পড়বাে ?

দোকানদার : দাম বেশি না হালায়। একশ ট্যাহা দিয়েন।

ভদ্রলােক : একশ ট্যাহা ? ....কুড়ি ট্যাহা দিমু । হইবাে।

দোকানদারঃ ছটা বােতাম দিতা আছি, লইয়া যান।

ভদ্রলােকঃ বােতাম ক্যান? কিনতে আইছি তাে কোট।

দোকানদারঃ আপনার বুকে যা পশম আছে না, ওর মধ্যে হালায় ছখান বােতাম ফিট কইর‍্যা দিলেই পশমের কোট হইয়া যাইবাে। খামােখা দোকান থেইক্যা কোট কিনবেন ক্যান? হট জোকস

এক স্যুটেড বুটেড ভদ্রলােক একটা ফেণ্ট হ্যাট কিনতে দোকান গেছেন দেখেশুনে একটা হ্যাট পছন্দ করলেন। জিগ্যেস করলেন। এটার দাম কত ভাই ?

দোকানীঃ পঞ্চাশ ট্যাহা দিয়েন হালায়।

ভদ্রলােকঃ কও কি এ যে গােলাকাটা দাম।

দোকানীঃ কত দিবেন কত্তা ?

ভদ্রলােকঃ দশ ট্যাহা দিমু। দিবা?

দোকানীঃ টুপি কিইন্যা কাম নাই কৰ্ত্তা। মলসা কিইনা নিয়া যান গা—খাইবেন হাগবেন, মাথায়ও দিবেন। জোকস ছবি



বাবু বাজার করতে গেছেন তরিতরকারি কিনছেন। এটা ওটা কেনার পর কচু কিনতে গেলেন। হাতে ধরে কচু দেখে পছন্দ করার পর দাম জিগ্যেস করলেন তােমার কচুর সের কত।

বিক্রতাঃ আট আনা কত্তা।

বাবুঃ কচুত ভালই। কিন্তু গলায় ধরবাে না তাে?

বিক্রেতাঃ কি যেন কন কত্তা, পাঁচশ ট্যাহা খরচ কইর‍্যা ঘরে বিবি আনছি হেই কোন দিন গলা  ধরলাে না। আপনার আট আনা সেরের কচু হালায় গলায় ধরবাে? মজার জোকস

মাছের বাজারে গিয়ে খদ্দের জিগ্যেস করলেন, ওই রিগা মাছটা কত দিমু’? ।

মাছওয়ালাঃ চাইর ট্যাহা দিয়েন কত্তা।

খদ্দেরঃ কও কি? ওইটুকুন মাছ চাইর ট্যাহা । একখানা কথা কমু?

মাছওয়ালাঃ কন্ কত্তা।

খদ্দেরঃ দুই ট্যাহা দিমু দিবা?
এই বলে খদ্দের ভদ্রলােক মাছের কান দেখতে লাগলেন। মাছওয়ালা বাধা দিয়ে বলল, “মাছের কান দেখতে হইবাে না। আগে যা লাল ছিল ছিলই, আপনার দাম শুইন্যা হালার কান গরমে আরাে লাল হইয়া গ্যাছে। থুইয়া দ্যান। খারাপ জোকস

তখন ঢাকায় ঘােড়দৌড় হত। গ্রামের এক জমিদার তনয়ের ঢাকা বেড়াতে এসে রেস খেলার শখ হল। ঘােড়ার খোঁজখবর নিতে গিয়ে পড়লেন এক বুকির খপ্পরে। বুকি পােড় খাওয়া লােক আর জমিদার তনয় আনকোরা। বুকি জমিদার তনয়কে আশ্বস্ত করে বলল, আপনি হালায় কিছু ভাইব্যেন না।আপনারে এমন ঘােড়া ঠিক কইরা দিমু যে হালায় জীবনে কোনদিন সেকেণ্ডে হয় নাই।

—এ রকম ঘােড়া তােমার সন্ধানে আছে ?
তা হইলে আর কইতাছি কী? হেই ঘােড়াই আপনারে হালায় ঠিক কইরা দিমু কিন্তু আমার বকশিশটা হালায় রেসের আগে দিতে হইবাে।

ঠিক আছে এই দশ টাকা এখন রাখ। রেসে জিতলে আরও দশ টাকা দেব।  কিন্তু রেসের আগে আমি ঘােড়াটা একটু দেখতে চাই।

এ আর এমন কী,কথা। চলেন হালায় অখনই দেখাইয়া আইনতাছি বুকি জমিদার তনয়াকে নিয়ে চলল ঘােড়াশালের দিকে। সেখানে পৌছে একটি ঘােড়া দেখিয়ে বলল, “আপানারে হালায় এই ঘােড়ার কথাই কইত্যাছিলাম। হালার নাম পঙ্খীরাজ।

ঘােড়াটিকে দেখে শুনে জমিদার নন্দন বলে উঠলেন, “আরে এই ঘােড়ার পিঠে তাে দেখছি ঘা হয়েছে। এই ঘা নিয়ে। দৌড়াতে পারবে তাে? বুকি আঁতকে উঠে বলল। ‘ঘা নয় কর্তা ঘা নয়। হালায় পঙ্খীরাজ আছিল। মালিক অর পাখনা দুডা ছাঁইটা দিচ্ছে। ওইডা হইল পাখনার দাগ।

ঠিক আছে । চল রেসের আগে আমায় মাঠে নিয়ে যেও। পরের দিন বুকি যথাসময়ে এসে জমিদার তনয়কে নিয়ে রেসের মাঠে গেল ।

জমিদার তনয় ওই ঘােড়ার ওপরেই বাজি ধরলেন। রেস শুরু হল। সব কটা ঘােড়া স্টার্টের আওয়াজের সঙ্গে সঙ্গে প্রাণপণ দৌড়াতে লাগল। ব্যতিক্রম শুধু সেই ঘোড়াটি যেটির ওপর জমিদার তনয় বাজি ধরেছেন। সেই ঘােড়া তখন উল্টো দিকে মুখ ঘুরিয়ে ঘাস খেতে শুরু করেছে আপন মনে।

জমিদার তনয় তাে রেগে কাই —এই তােমার পঙ্খীরাজ! তুমি জোচ্চর। তুমি আমায় ঠকিয়েছ।
বুকি বিনয়ের সঙ্গে বলল, ‘দ্যান বাকি দশ ট্যাহা দেন। আপনি হালায় রেসের কিছুই বােঝেন না। ঘােড়াডার তাগটা দ্যাখলেন। সব কড়া ঘােড়ারে কি রকম ঠাঙ্গাইয়া লইয়া গেল। হালায় পঙ্খীরাজই এইডা পারে। দ্যান দশ ট্যাহা।

জমিদার তনয়া বকশিস বাকি দশ টাকা বুকির হাতে খুঁজে গজ গজ করতে বাড়ি ফিরলেন। বাংলা হাসির জোকস

কাকা ভাইপােকে ডেকে চলেছেন, ‘অ্যাই হাসেম ওঠ। ওঠন না ক্যান?’ ভাইপাে তখনও নাক ডেকে ঘুমােচ্ছে। কারণ কাল সারারাত সে ঘুমােতে পারেনি। তাই দিনের বেলায় একটু ঘুমিয়ে নিচ্ছে। কাকা আবার চেঁচিয়ে ডাকতে শুরু করলেন, “অ হাসেম ওঠ। আর কত খুমাইবি হালায় ?

এবারে ভাইপাে বিরক্ত হয়ে সাড়া দিল।—‘বলি চাচা , তুমি হালায় অ্যাত চিল্লাইতে আছ ক্যান? তুমি হালায় জান কাউলকা লতিমপুরে বাবুগাে বাড়িতে যাত্রা গান গাইতে গেছিলাম। শ্যাষ রাইতে গান শ্যাষ কইর্যা হাঁটিয়া বাড়ি আছি। ঘুমে আমার চোখ ভাইহগদা আইতাছে। আর তুমি হালায় চেঁচাইতে আছ!’

তা ভাইপাে গান কী রকম হইলাে? ভালই হইছে।

—ট্যাহা পৈসা হালায় দিচ্ছে ত ঠিক ঠাক ? ট্যাহা পৈসা হালায় তামাম শােধ কইরা দিচ্ছে। —কী রকম? একটু খােলসা কইর‍্যা ক দিকিনি হালায়।

—আমরা ত গিয়া খুব ভঁটের মাথায় হালায় গান ধরলাম। পাবলিক একেবারে চুপ। তারপর দেহি দুই একখানা ঢ্যাল পড়ে।

—আসরে ঢ্যাল পইড়লাে ? —আমরা হালায় ওতে কিছু মাইণ্ড করলাম। গান চালাইয়া যাইতে লাগলাম।
তারপর ? তারপর দেহি হালারা এক আদ পাটি জোতা ছোঁড়ে। —আসরে জোতা ছুঁইড়লাে ? কস ক?
—হ-অ। আমরা তাতেও কিছু মাইণ্ড করলাম না, গান। চালাইয়া যাইতে লাগলাম ।

-তারপর?
—তারপর দেহি স্টেইজে উইঠ্যা ড্রেস ধইর্যা টানাটানি করে।
-তারপর ? এরপর তাে গান চালানাে যায় না। বন্ধ কইর‍্যা দিলাম।। —ট্যাহা পৈসা ? —তামাম শােধ দিচ্ছে। —কী রকম?

—হালারা কনট্রাক্ট করছিল দুই শ ট্যাহা। যাইতে আমরা লেট করছিলাম। হের জন্য পঞ্চাশ কাইট্যা রাখছে।

—বাকি দেড়শ?
—দিচ্ছে চাচা দিচেছ। বাবুরা যে জোতা ছুড়ছিল হেই ক্ষতি পূরণ বাবদ পঞ্চাশ ট্যাহা কাইট্যা রাখছে।
—বাকি একশ?

—দিচ্ছে হেও দিচ্ছে। টানাটানির সময় ড্রেসারের যে ড্রেস ছিড়ছে হের লাইগ্যা আরাে পঞ্চাশ ট্যাহা কাইট্যা রাখছে। কৌতুক 

Previous
Next Post »